Wednesday, December 27, 2006

রিমেম্বার হোয়েন ইট রেইনড্ :: ভালো (না)লাগা অনুভূতি

এই একটা গান, দেবার আগে ভাবছিলাম বাংলা করে দিবো, কিন্ত করতে গিয়ে সাহসে কুলালো না, পিছিয়ে এলাম। আমার দ্বারা এর বাংলা করা সম্ভব না। যে সুন্দর করে গাওয়া, যে অদ্ভুত রকমের শৈলী আছে গানটাতে, বাংলা করতে গেলেই তা ব্যহত হবে আমার হাতে।

গানটি যেভাবে আছে, যেরকম আছে সেভাবেই তার স্বাতন্ত্র্য বিদ্যমান।
"টিয়ার্স অব হোপ রান ডাউন মাই স্কিন, টিয়ার্স ফর ইয়্যু দেট য়্যুল নেভার ড্রাই, দে ম্যাগনিফাই দ্যা ওয়ান উইদিন, লেট দ্যা আউটসাইড স্লোলী ডাই..." কীভাবে ভাষায় প্রকাশ করা যাবে!

http://www.box.net/public/8ol65sqp0k

Sunday, December 03, 2006

আমরা কেনো লিখি

আমরা এখানে যারা লিখি, কেনো লিখি আমরা? উদ্দেশ্যটা কি আমাদের? একটা মন্তব্যের জন্য, নিজের লেখা ছাপার অক্ষরে দেখতে পাবার আকাঙ্খা, নাকি নিজের মনের ভেতরে এলোমেলো ভাবে এদিক ওদিক ঢুঁ মারতে থাকা কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনার অবিরত তাড়নার ফলে!

মনেপড়ে সেই কবে প্রথম লেখা শুরু করেছিলাম। মাসের হিসেবে তো বেশ অনেকগুলো মাস হয়েই গেলো। প্রথম আলো দৈনিকের কল্যানে জানলাম সামহোয়্যার বলে একটা সাইট বাংলায় ব্লগিং করার সুযোগ এনে দিচ্ছে। নিতান্তই আগ্রহের বশে, অনেকটা খাপছাড়া ভাবেই নিতান্ত অলসতায় ডব্লিউ ডব্লিউ ডব্লিউ ডট সামহোয়্যার ইন ব্লগ ডট নেট টাইপ করলাম। চোখের সামনের এলসিডি স্ক্রীনে ভেসে উঠলো আগাগোড়া ঝকঝকে বাংলা হরফে ভরা ওয়েবসাইট টা। ব্যস্ততার কারণে তেমন কিছুই করা হয়ে উঠেনি আর। সাথে সাথেই উইন্ডোটা বন্ধ করে দিয়ে আবার কাজে মনোনিবেশ!

তখনো ভাবিনি এই সাইটটা আমাকে এতদূর নিয়ে আসবে, সব মিলিয়ে নিজের পোস্ট হবে দেড়শতাধিক (কিছু অবশ্য ডিলিটেড)। খুব কাছ থেকে কিছু মানুষকে অনুভব করতে শেখাবে। যাদেরকে জীবনে দেখিনি, যাদের কথা কোনদিন শুনিনি তাদের সাথে হয়ে যাবে আত্মীয়তা, একেবারে হার্ট টু হার্ট। কার নাম বলবো? কার নাম বাদ দেবো? এমন কী কেউ আছে যার নামটা কখনো সামহোয়্যারের পাতায় দেখে মনে হয়েছে আমার “আরে একেতো আমি চিনি না“! পেছনের এতোগুলো দিন পার করে এসে মনে হচ্ছে সবাই ই যেন এক অদৃশ্য সূতায় গাঁথা হয়ে আছি। কতো বাক-বিতন্ডা, কতো ঝগড়া, কতো চিতকার চেঁচামেচির পরেও কারো জন্মদিনে শুভেচ্ছা জানাতে কেউ ভুল করে না, ভুল করেনা কোনো অনুপ্রেরণামূলক পোস্টে নিজের মন্তব্য দিতেও।

আমার কেনো যেনো মনেহয় মূলত সেই অদৃশ্য সূতার টানের কারনেই আমরা ফিরে ফিরে আসি এই ব্লগের পাতায়। ভাগাভাগি করে নেই প্রতিদিনের টুকিটাকি জিনিষের সাথে খুব গুরু-গম্ভীর কিছু তত্ত্ব। যার তাড়নাতে আমাদের মাথায় চেপে বসে লেখার “সিন্দাবাদের ভূত“, আঙুল চলে কী-বোর্ডে, সামহোয়্যারের পাতা ভরে যায় পোস্টের পর পোস্টে!

প্রথম যখন ভার্চুয়াল আত্মীয়তার খাতিরে সবার সাথে আমার পরিচিত, খুব কাছ থেকে দেখা উত্তরাধুনিক একজন লেখকের বই শেয়ার করলাম সেদিনও বুঝে উঠতে পারিনি কেনো লিখি আমরা। উপলব্ধিটা এসেছে ধীরে ধীরে। দিনের পর দিন সবাইকে একটু একটু করে জানার পর। অনেকেই যখন আমার সেই পোস্টে নিজেদের অংশগ্রহন করলেন, নিজের উপস্থিতি জানান দিলেন, অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, একজন লেখকের কী শক্তি! আমি যাদেরকে আমার ভার্চুয়াল আত্মীয় বলে জানি, তারা অনেকেই আমার ভিজ্যুয়াল আত্মীয়কে চেনেন। লেখার কারনেই একজন মানুষ কেবল একটি এনটিটি হয়ে দেশ-কাল-সীমানার গন্ডি পেরিয়ে সবার মাঝে এক মেলবন্ধন রচনা করতে পারেন। এই বন্ধনকে দৃঢ় থেকে দৃঢ়তর করতেই কিনা লিখে যাই আমরা।

এই লেখার তাড়নায়ই মাসকাওয়াথ আহসানের লেখা গুলো নিয়ে অনলাইন আর্কাইভ করার কথা ভাবি। ভাবনা থেকে প্রস্তাব এবং তারপর উতসাহ এবং সহযোগিতা। আমাকে সর্বান্তকরণে পিঠ চাপড়ে গেছেন আমার ভার্চুয়াল এবং রিয়েল টাইমের আত্মীয়রা। আর্কাইভকে তুলে ধরার জন্য দাঁড়িয়ে গেলো একটা ওয়েব সাইট। ওয়েব সাইটটি শেষ করার পর, নিজের অসুস্থাবস্থায় বসে বসে ভাবছিলাম, আমরা কেনো লিখি, বিশেষ করে আমি কেনো লিখি...।

ব্লগের আমার ভার্চুয়াল আত্মীয়দের পাশাপাশি যে মানুষটি নীরবে অবদান রেখে চলেছেন, আমার অজান্তে আমার ব্লগে ঢুঁ মেরেছেন, আমার লেখার ভুল গুলো ধরে দিয়েছেন, বাকী অনেকের লেখার কথা তুলে এনেছেন আলাপে, তার অবদান মোটেও কম না। আমাকে লেখার হাতেখড়ি যদি সামহোয়্যার এবং সামহোয়্যারের আমার ভার্চুয়াল আত্মীয়রা দিয়ে থাকেন তাহলে সেই হাতেখড়িকে আলো দেখিয়ে পথ দেখিয়ে চলেছেন মাসকাওয়াথ আহসান। ব্লগের কারো অবদান আমি আলাদা করে দেখতে পারিনা মাসকাওয়াথ আহসানের চেয়ে। একজন চোখের সামনে, আর অন্যরা চোখের আড়ালে থেকে আমাকে হাত ধরে এগিয়ে দিচ্ছেন লেখার ভুবনের সামনের দিকে।

আমি এগিয়ে যাচ্ছি সামনের দিকে সবার উচ্ছ্বাসকে সযতনে সাথে করে! উচ্ছ্বাস থেকেই উচ্ছ্বলতার বশবর্তী হয়ে আমার করা ওয়েব সাইটটা রেখে দিলাম এখানে সবার সাথে আমাকে শেয়ার করার জন্য। হয়তো সবার স্বতঃস্ফুর্ত উপস্থিতিই আমাকে তথা আমাদের সাহায্য করবে “আমরা কেনো লিখি“- এই অতি সরল প্রশ্নটার খুব সুন্দর একটা সমাধান পেতে!

বইয়ের তাক

Saturday, November 04, 2006

জেল হত্যা দিবস!!



গতকাল ছিলো ৩রা নভেম্বর, বাঙালী জাতির ইতিহাসে বেদনাবিধুর, কলঙ্কময় দিন গুলোর একটা। জেল হত্যা দিবস!!

৭৫-এর ১৫ আগস্টের কালো রাতের পর খন্দকার মোশতাক তার মন্ত্রিসভায় যোগ দেবার জন্য আহ্বান করেণ বঙ্গবন্ধুর চার ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে। বাংলাদেশকে ধ্বংসস্তুপের ভেতর থেকে বের করে নিজ পায়ে দাড়ানোর স্বপ্ন দেখা এবং দেখানো এই মানুষ গুলো খন্দকার মোশতাকের সেই আহ্বান ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করেণ।

প্রত্যাখাত হয়ে খন্দকার মোশতাক গ্রেফতার করেণ চার নেতাকে। ভাগ্য তার দিকেও যায় নি। উতখাত হয়ে যেতে হয় তাকে ২রা নভেম্বর। কিন্ত ঠিক তার পরপরই ১৫ আগস্টের ঘাতকেরা কারাগারের নিউসেলের ভেতরে ঢুকে ব্রাশ ফায়ার করে চার জাতীয় নেতার উপর। শুধু তাই নয়, তাদের হীন, অসুস্থ মানসিকতার তাড়নায় চার নেতার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে বেয়নেট নিয়ে।

এই ৩রা নভেম্বর, বাংলাদেশের জন্মের পর স্বাধীন বাংলার মাটিতে প্রাণ দিতে হলো বাংলার শ্রেষ্ঠ সন্তানদের। তাদের অপরাধ কী ছিলো? একটা স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা! যুদ্ধে বিধ্বস্ত একটা দেশকে নিজের পায়ে দাঁড়াতে শেখানো! জাতির মহান নেতা, যার আহ্বানে সারা জাতি একত্রিত হয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করলো- তার প্রতি আনুগত্য দেখানো!

জেলহত্যার সেই দিনটি থেকে ২১টা বছর এর বিচারকাজ স্থগিত করে রাখা হয়। পূণর্বাসিত করা হয় হত্যাকারীদের। ৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর এর বিচার কাজ শুরু হয় এবং ২০০৪ সালে রায় ঘোষনা করা হয়। চার্জশীটে উল্লিখিত ২০ আসামির মধ্যে ১৫ জনের সাজা হয়। এর মধ্যে ৩ জন সাবেক সেনা কর্মকর্তার ফাঁসি এবং বাকি ১২ জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করা হয়।

হত্যাকান্ডের পরিকল্পনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার যথাযোগ্য প্রমানের অভাবে মামলা থেকে মুক্তি পেয়ে যায় বিএনপি নেতা কে এম ওবায়দুর রহমান, জাতীয় পার্টি নেতা শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, সাবেক মন্ত্রী তাহের উদ্দিন ঠাকুর, নজরুল ইসলাম মঞ্জুর এবং মেজর (অব:) খায়রুজ্জামান।

হত্যাকান্ড সংগঠিত হবার এতোগুলো বছর পরে ঘোষিত মামলার রায় নিয়ে চার জাতীয় নেতার পরিবার পরিজন সন্তুষ্ট নন মোটেই। তাদের মতে এ রায় ছিলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত, এখনো পর্যন্ত এ মামলায় কাউকে শাস্তি দেয়া হয় নি!

Saturday, October 28, 2006

বাংলা খান, বাংলা পড়েন, বাংলায় ঘুমান, বাংলায় স্বপ্ন দেখেন, লেখেন কেবল ইউনিকোডে :: সৌজন্যে - ইউনিকোড



ইউনিকোড নিয়ে, ইউনিকোডে লেখা নিয়ে মহাতুলকালাম কান্ড। কেমনে লেখবো, কী দিয়ে লেখবো, কেন লেখবো, প্রয়োজনীয় লিংক ই বা পাবো কই- এই নিয়ে চুলহীন অনেকেও ছেড়ার জন্য মাথায় অনবরত হাত দিয়ে যাচ্ছেন। বিজ্ঞজনের কাছে “এফ১“ চেয়ে অনেকে অলরেডী পোস্টিয়েও ফেলেছেন। এই কষ্টকর, ব্যারাছ্যারা অবস্থা দেখে ভাবলাম, অভিজ্ঞজন না হই, সাধারণ ব্যবহারকারী হিসেবেই নাহয় একটা “জ্ঞানদান পোস্ট“ নামিয়ে দেই। নিজেরও একটা পোস্ট বাড়লো, আবার ফেলাডিং ও হলো না। যাত্রাও দেখলাম, আবার কলাও বেচে ফেললাম!

তো যা বলছিলাম- কেমনে লেখবো ইউনিকোড?

উপায় জলবত তরলং। সম্পূরক প্রশ্ন করি উত্তর দেবার আগে। কেমনে লেখতে চান, অনলাইনে নাকি অফলাইনে?
অনলাইনে লেখতে চাইলে কোন সফটওয়্যার ডাউনলোড-ইনস্টলেশনের দরকার নাই। এতে করে হয়তো আমার মতো আনাড়ীরা “অই মিয়া ভাইরাস দিলা ক্যান হালায়“ টাইপের বকা খাওয়ার ঝামেলা থেকে মুক্ত হতে পারবেন।

এক্ষেত্রে হাসিন ভাইয়ের টুলসটা কাজে আসতে পারে।
এছাড়াও কাজে লাগতে পারে মাহবুব মুর্শেদ এবং অরূপের যৌথ উদ্দোগের কনভার্টারটা ।

যদি অফলাইনে লেখতে চান যেমন মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে- তাহলে আপনাকে কষ্ট করে একটা সফটওয়্যার ডাউনলোড এবং পরে ইনস্টল করতে হবে।
সেক্ষেত্রে অভ্র কী-বোর্ড হতে পারে ভালো একটা চয়েস। অভ্র ডাউনলোড এবং ইনস্টলেশন শেষ হলে হাতের কাছে উইন্ডোজের সিডিটা রেডী (সিডি রমে ঢুকিয়ে) রাখুন।

“কন্ট্রোল প্যানেলে --- রিজিওনাল সেটিংস --- ল্যাঙ্গুয়েজ“ ট্যাবে গিয়ে (ইনক্লুডিং থাই, ইংরেজীতে কী লিখা আছে জানি না, আমার এখানে অন্য ভাষায় দেখছি) চেকবক্স দুটো টিক দিয়ে “অ্যাপ্লাই“ বাটনে ক্লিক করে পরে ও.কে. চেপে বেরিয়ে আসুন। পিসি রিস্টার্ট খাবে, ব্যাপার না... লেট ইট বি!

রি-স্টার্ট খাওয়ার পর এখন আপনার পিসি যে স্টেজে আছে সেটাকেই ধরে নিতে পারেণ “ইউনিকোড অ্যানাবেলড“ স্টেজ। মনিটরের উপরের দিকে (অভ্র কী-বোর্ডের) একটা বার দেখতে পাবেন। সেখানে “সিস্টেম ডিফলট“ লেখাটায় চাপ দিলে একবার “বাংলা“ একবার “সিস্টেম ডিফলট“ লেখা আসবে। তার পাশে সেটিংসে ক্লিক করলে দেখা যাবে একটা লিস্ট শো করবে ওখান থেকে “ইউনিবিজয়“, “ফোনেটিক“ প্রভৃতি অপশন নেয়া যাবে লে-আউটের জন্য।

ইউনিবিজয়, সাধারণ বিজয় লেআউটের মতোই। যারা বিজয়ে পারদর্শী তারা চোখ বন্ধ করে লেখা শুরু করতে পারেণ। তবে যারা সামহোয়্যারে ফোনেটিকে লেখেন, তাদের প্রথম প্রথম একটু অসুবিধা লাগবে, কিন্ত সেটা কেটে যাবে আস্তে আস্তে।

কেন ইউনিকোডে লেখবো- এরকম এ্যাটাকিং প্রশ্নটা অনেকের মনেই আছে, আমারো আছে। আমি আমার পয়েন্টটা শেয়ার করি। আমি খুব জরুরী কিছু ওয়ার্ডে লিখতে চাই, এখন আমার কাছে বিজয় নেই। ম্যানেজ করার ও উপায় নেই, অনলাইনেও সহজলভ্য না, আমি সামহোয়্যারে লিখতে চাইছি না সেটা। এখন আমি কী করবো...?

আচ্ছা ধরাযাক যাইহোক লিখলাম কোনভাবে। এখন এটা আমি কৌশিক ভাইকে পাঠাবো, কারণ তার জন্যও এটা ততোটাই জরুরী যতোটা আমার জন্য। উপরন্তু তার এসেসমেন্টের দরকার আছে লেখাটায়। এখন তার পিসিতে বিজয় ইনস্টল করা নেই। সে আমার লেখাটা পড়বে কী করে!

এমএসএন বা ইয়াহু তে ’জরিনার’ সাথে চ্যাট করার সময় ইংরেজিতে লিখতে হয়। অনেক সময় শখ হয়, আহারে যদি বাংলা অক্ষরে লিখতে পারতাম, “ওগো জরিণা বাগানে হাটিতেছে খাসি, তুমি জানো না আমি তোমায় কত্তো ভালোবাসি“!

এইসব সমস্যার সবগুলোরই সমাধান হয়ে যায় ইউনিকোড থাকলে। এটলিস্ট লেখা গুলো পড়ার জন্য খুব সহজেই ইউনিকোড ফন্ট ডাউনলোড করে নেয়া যায়। ইউনিকোডের সবচাইতে বড়দিক হলো এর সহজলভ্যতা। কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কপিরাইট করা সফটওয়্যারের উপর নির্ভর করতে হয় না।